ঢাকাশনিবার , ১১ এপ্রিল ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জামায়াতে ইসলামী
  9. বঙ্গবন্ধু
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. বীর মুক্তিযোদ্ধা
  13. মতামত
  14. যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ খবর

বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে চাইলেও তাদের প্রথমে ঢুকতে দেওয়া হয়নি

digantanews24
এপ্রিল ১১, ২০২৬ ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রধান বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে চাইলেও তাদের প্রথমে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু তত্কালীন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার সামরিক সচিব আমিনুল করিম ছিলেন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের অনুগত। তার হস্তক্ষেপে তিন বাহিনীর প্রধান বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। সে সময় বঙ্গভবনে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার বারী এবং লে. জেনারেল জাহাঙ্গীরসহ আরো অন্য কর্মকর্তারা। এরপর বঙ্গভবনে উপস্থিত হন লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। তারা রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টাকে জরুরি অবস্থা জারির জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। দীর্ঘ ছয় ঘণ্টা প্রবল চাপ প্রয়োগের পর জরুরি অবস্থা জারি করতে বাধ্য হন রাষ্ট্রপতি।

মানব পাচার আইনে রাজধানীর পল্টন থানায় করা মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রায়হানুর রহমান চার দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করলে শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। দ্বিতীয় দফায় ছয় দিনের রিমান্ড শেষে আজ মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করা হয়। বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে আদালতের হাজতখানা থেকে হাতকড়া ও মাথায় হেলমেট পরিয়ে কড়া পুলিশি পাহারায় তাকে আদালতে হাজির কর হয়। শুনানি শেষে বিকাল ৪টা ১০ মিনিটের দিকে তাকে আবার হাজতখানায় নেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ড শুনানি করেন সৈয়দ গোলাম মুর্তুজা ইবনে ইসলাম ও আমিনুল ইসলাম সরকার। আদালতে তারা বলেন, এই আসামিরা সিন্ডিকেট করে ২ হাজারের বেশি রিক্রুটিং এজেন্সির কাছ থেকে কমিশন বাণিজ্য করে। কমিশন না দিলে তারা কাজ পেত না। এই সিন্ডিকেটের সবাই পলাতক তিনি ছাড়া। বাকি আসামিদের তথ্য জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে দুই কৌঁসুলি আরো বলেন, এই আসামি এক-এগারোর কুশীলব ছিলেন। টাকার নেশায় তিনি রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়ে এই সিন্ডিকেট করেন। রিমান্ডে তিনি সব তথ্য দেননি। পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহের জন্য চার দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।

আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, এ মামলায় আসামিকে দুই দফায় ১১ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনের ফরোয়ার্ডিং দেখলাম, সেখানে তদন্তসংক্রান্ত অগ্রগতির কিছুই লেখেননি। আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম আরো বলেন, ‘আমরা সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানতে পারছি, এটা মানব পাচার মামলা, কিন্তু এই তথ্য উদ্‌ঘাটন না করে তদন্ত কর্মকর্তা অন্য তথ্য উদ্‌ঘাটনে ব্যস্ত। আত্মসাত্ করা টাকা উদ্ধার করা—এটা রিমান্ডে নেওয়ার গ্রাউন্ড হতে পারে না। এই লোকের বয়স ৭২ বছরের বেশি। মাইল্ড (মৃদু) স্ট্রোক হওয়ার কারণে ব্রেনে সার্জারি করা হয়েছে। হার্টে দুইটা রিং (স্টেন্ট) পরানো। তবু বারবার প্রেশার (চাপ দিয়ে) করে ওনাদের এক্সপেক্টেড (প্রত্যাশামতো) কথাগুলো পাচ্ছেন না। মনমতো তথ্য পাচ্ছেন না বলে রিমান্ডের আবেদন করা হচ্ছে।

কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।
সর্বশেষ সর্বশেষ