ব্লাড সুগার (রক্তে শর্করার মাত্রা) নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু খাবার খুব কার্যকর ভূমিকা পালন করে। নিচে এমন কিছু খাবারের তালিকা ও তাদের উপকারিতা দেওয়া হলো 👇
🥦 ১. শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার
উদাহরণ: লাউ, পেঁপে,করলা, পালং শাক, চালকুমড়া, ঢেঁড়স, বেগুন
উপকারিতা: এসব খাবারে ক্যালরি কম, কিন্তু আঁশ (ফাইবার) বেশি থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে বাড়ায়।
🍎 ২. ফলমূল (নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত)
উদাহরণ: আপেল, পেয়ারা,জাম, স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, পেঁপে।
উপকারিতা: এসব ফলে প্রাকৃতিক চিনি থাকলেও গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) কম, ফলে ব্লাড সুগার দ্রুত বাড়ে না।
🌾 ৩. সম্পূর্ণ শস্যজাত খাবার (Whole grains)
উদাহরণ: লাল চাল, ওটস, গমের আটা, ব্রাউন রুটি
উপকারিতা: এতে আঁশ ও ভিটামিন বি বেশি থাকে, যা ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
🥜 ৪. বাদাম ও বীজ
উদাহরণ: কাঠবাদাম, আখরোট, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড, কুমড়ার বীজ
উপকারিতা: এতে স্বাস্থ্যকর চর্বি ও প্রোটিন আছে, যা রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি রোধ করে।
🐟 ৫. মাছ ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার
উদাহরণ: দেশী নদীর মাছ,রুই, কাতলা, তেলাপিয়া, ডিম, ডাল
উপকারিতা: প্রোটিন রক্তে শর্করার ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে ও দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।
🫖 ৬. মসলা ও প্রাকৃতিক উপাদান
উদাহরণ: দারুচিনি, মেথি, আদা, রসুন, কাঁচা হলুদ
উপকারিতা: দারুচিনি ও মেথি ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায় এবং শর্করার মাত্রা কমায়।
💧 ৭. পানি ও তরল
উপকারিতা: পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীরে মেটাবলিসম ভালো হয়।যা রক্তে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে।
সম্পাদক: অধ্যাপক জিএম জাকারিয়া খান সায়েম, সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি :মিসেস সায়েমা সিয়াম রুপম, নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল্লাহ হাসনাইন জিশান, সম্পাদনা সহযোগীঃ আব্দুল্লাহ তাহসিন জিহান, তাজকিয়া তাবাসসুম জুহি, আব্দুল্লাহ তাসনিম জামিল, তাহসিনা জান্নাত জাইফা