ঢাকাশনিবার , ১১ এপ্রিল ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জামায়াতে ইসলামী
  9. বঙ্গবন্ধু
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. বীর মুক্তিযোদ্ধা
  13. মতামত
  14. যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ খবর

স্কুলে হেয়ার স্টাইলে নতুন নিয়ম, না মানলে সাজা

মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা : নিজস্ব প্রতিনিধি
এপ্রিল ১১, ২০২৬ ২:০২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

স্কুলে হেয়ার স্টাইলে নতুন নিয়ম, না মানলে সাজা

মোঃ হাবিবুর রহমান মোল্লা : নিজস্ব প্রতিনিধি

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চুলের কাটিং বা ‘হেয়ার স্টাইল’ নির্দিষ্ট করে দিয়ে জারি করা এক নোটিশ ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা পরিষদ উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট মডেলে চুল না কাটলে শিক্ষার্থীদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে।

​গত ৯ এপ্রিল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লিটন উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ স্কুল প্রাঙ্গণে টাঙিয়ে দেওয়া হয়। ​আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সকল শিক্ষার্থীকে নির্ধারিত মডেল অনুযায়ী চুল ছেঁটে বিদ্যালয়ে আসতে হবে। ​একই সাথে হাত ও পায়ের নখ নিয়মিত কাটার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ​নির্দেশনা অমান্য করলে তাকে ‘প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ’-এর দায়ে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

​নোটিশের সাথে একটি শিশুর চারদিক থেকে তোলা চুলের কাটিংয়ের ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে, যা সাধারণত ‘আর্মি কাট’ হিসেবে পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই নোটিশের ছবি ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় নানা বিতর্ক।

​বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে দুই ধরণের মত দেখা দিয়েছে। ​একদল এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য দূর হবে এবং শৃঙ্খলার পরিবেশ ফিরে আসবে। তবে অন্যপক্ষ মনে করছেন, চুলের স্টাইল দিয়ে শিক্ষার্থীর মেধা বা আচরণ বিচার করা অনুচিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক বলেন, “শৃঙ্খলা প্রয়োজন, কিন্তু শাস্তির ভয় দেখিয়ে চুল কাটানো শিক্ষার্থীদের মনে ভীতির সৃষ্টি করতে পারে, যা তাদের পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।”

​বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লিটন উদ্দিন জানান, বর্তমান সময়ে অনেক শিক্ষার্থী অদ্ভুত সব হেয়ার স্টাইল করে বিদ্যালয়ে আসে, যা শিক্ষার পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি বলেন,​”শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতেই আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি। এটি কোনো নেতিবাচক উদ্দেশ্যে নয়, বরং তাদের আচরণগত উন্নয়নের একটি অংশ।”

​সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিজু তামান্না এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খলভাবে গড়ে তুলতে এবং আচরণগত উন্নতিতে এ ধরনের নির্দেশনা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।