1. hasansahriare@gmail.com : Hasan Sahriare : Hasan Sahriare
  2. asmjashim2017@gmail.com : Diganta : jashim Diganta
  3. admin@digantanews24.com : Manir :
পায়ে হেটে হজ্জ পালনকারী একমাত্র বাংলাদেশী হাজী মহিউদ্দীন - Diganta News
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৯:১৫ অপরাহ্ন

পায়ে হেটে হজ্জ পালনকারী একমাত্র বাংলাদেশী হাজী মহিউদ্দীন

  • Update Time : বুধবার, ২ জুন, ২০২১, ৬.৩০ অপরাহ্ণ
  • ৭৪৭ Time View
ছবিঃ সংগ্রহীত

আজ থেকে ৪৯ বছর আগে জীবনের সুবর্ণ অতীত আজও মনে রেখেছে দিনাজপুরের রামসাগরে অবস্থিত বায়তুল আকসা মসজিদের ইমাম হাজী মোঃ মহিউদ্দীন। হাজী মো. মহিউদ্দিন দিনাজপুর

সদর উপজেলার রামসাগর দিঘীপাড়া গ্রামের মৃত মো. ইজার পন্ডিত ও মমিরন নেছার ছেলে।মক্কায় হজ্জ পালন শেষে মদীনা, নীল নদের দেশ মিশরে ফির-আউনের লাশ দেখার উদ্দেশ্যে রওনা দেন৷ মিশর রহস্য দেখার পর দীর্ঘ ১৮ মাস পর হেঁটে হেঁটেই মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসেন৷

তিনি ১৯৬৮ সালে পায়ে হেঁটে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে হজ্জ পালনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন, যা বর্তমান সময়ে অকল্পনীয়।তিনি ১৯১৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তার বয়স ১০৩ বছর৷ বাংলদেশ থেকে ভারত, পাকিস্থান, ইরান, কাতার হেঁটে অতঃপর সৌদি আরব পৌঁছেন।

পায়ে হেঁটে হজপালন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৬৮ সালে হজ করার উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে দিনাজপুর থেকে রওনা দেন৷

দিনাজপুর থেকে রংপুর হয়ে প্রথমে ঢাকার কাকরাইল মসজিদে যান। সেখানে পায়ে হেঁটে হজ পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করলে, তৎকালীন কাকরাইল মসজিদের ইমাম মাওলানা আলী আকবর পায়ে হেঁটে যেতে ইচ্ছুক অন্য এগারো জন হাজীর সঙ্গে তাকে পরিচয় করিয়ে দেন। শুরু হয় বারো জনের হজযাত্রা।

চট্টগ্রাম দিয়ে ভারত হয়ে পাকিস্তানের করাচি মক্কি মসজিদে গিয়ে অবস্থান করে সৌদি আরবের ভিসার জন্য আবেদন করেন। আট দিন পর সৌদি ভিসা পান। ভিসা পেয়ে পাকিস্তানের নোকঠি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ইরানের তেহরান হয়ে ইরাকের বাগদাদ ও কারবালা দিয়ে মিসর পাড়ি দিয়ে সৌদি আরব পৌঁছান। পথে ফেরাউনের লাশ দেখার ইচ্ছাও পূরণ হয় তাদের।

বয়সের ভারে নুইয়ে পড়েননি তিনি এখনও জীবিত ও সুস্থ আছেন৷ স্মৃতির পাতায় অকপটে বার বার সেই সোনালী দিনগুলো ভেসে আছেন বলে জানান তিনি । এই বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, আমি সবদিক আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট আছি।

এমন কষ্ট করে হজ পালন প্রসঙ্গে তার অনুভূতি হলো, পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র স্থান থেকে ঘুড়ে এসে নিজেকে ধন্য মনে করেন। তিনি কোনো কষ্ট করেছেন বলে মনে করেন না।

হাজী মো. মহিউদ্দিন বয়সের কারণে মসজিদের ইমামতি ছেড়ে দিয়েছেন। বর্তমানে তার জীবনে সহযোগী বলে কেউ নেই। এই শেষ বয়সেও নিজের কাজ নিজেকেই করতে হয়।

জীবন নির্বাহের জন্য তিনি রামসাগর পাথরঘাটায় বিভিন্ন ধর্মীয় বই বিক্রি করেন । বই বিক্রির আয় দিয়েই চলছে তার জীবন।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের আরো খবর

Copyright © All Right Reserved digantanews24.com
Theme Customized BY CreativeNews