ইকোনো সার্ভিসের নামে চলছে প্রকাশ্য ভাড়া নৈরাজ্য। নির্ধারিত ৫০০ টাকার ভাড়া হঠাৎ করেই ৭০০ টাকায় উন্নীত করে যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা—যার কোনো বৈধ ব্যাখ্যা নেই, নেই কোনো নোটিশও।
সাম্প্রতিক এক ঘটনায়, দুই যাত্রীর কাছ থেকে মোট ১৪০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, যেখানে নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী নেওয়ার কথা ছিল ১০০০ টাকা। অর্থাৎ, কোনো ধরনের যুক্তি ছাড়াই অতিরিক্ত ৪০০ টাকা আদায় করা হয়েছে—যা সরাসরি যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, “প্রতিদিনই এই ভাড়া বাড়ানোর খেলা চলছে। প্রতিবাদ করলে নানা অজুহাত, কখনো খারাপ ব্যবহার—শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে।”
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—
👉 এই অনিয়মের বিরুদ্ধে পরিবহন কর্তৃপক্ষ কেন নীরব?
👉 যাত্রীদের পকেট কাটার এই উৎসব কি বন্ধ হবে না?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে লাগামহীন ভাড়া আদায় চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে এবং পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।
এখনই সময় কঠোর নজরদারি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির—না হলে ‘ইকোনো সার্ভিস’ নামের আড়ালে এই লুটপাট আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে।

