চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ জাতীয়করণের দাবি : কলেজ শিবির সভাপতি ফাহিম
মোঃ ইসমাইল হোসেন : জেলা প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর।
লক্ষ্মীপুর জেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। তবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পারিবারিক আর্থিক অবস্থা তুলনামূলকভাবে দুর্বল। কলেজের মাসিক বেতন, পরীক্ষার ফি এবং অন্যান্য শিক্ষাবিষয়ক ব্যয় বহন করা অনেক পরিবারের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।
ফলে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট-টাইম চাকরি করতে বাধ্য হয়। এর কারণে তারা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারে না, যা শিক্ষার মান ও ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দিন দিন কলেজের একাডেমিক পরিবেশ ও ফলাফলের মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।
এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো: আইউব হোসেন ফাহিম কলেজটি জাতীয়করণের জোর দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কলেজটি জাতীয়করণ করা হলে শিক্ষার্থীদের আর্থিক চাপ অনেকাংশে কমবে, তারা নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং শিক্ষার সামগ্রিক মান আরও উন্নত হবে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে তাদের শিক্ষাজীবন চালিয়ে যেতে সক্ষম হবে।
এছাড়াও চন্দ্রগঞ্জকে সরকারিভাবে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণত একটি উপজেলার আওতাধীন একটি সরকারি কলেজ বা জাতীয়কৃত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। উপজেলার অন্যান্য কলেজের তুলনায় কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শিক্ষার মান, অবকাঠামো এবং শিক্ষার্থী সংখ্যার দিক থেকে অনেক বেশি অগ্রসর। তাই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা— কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজকে দ্রুত জাতীয়করণ করা হবে এবং এটিকে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

