ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • অন্যান্য
  1. অইন ও আদালত
  2. অন্যান্য
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি ডেস্ক
  5. আওয়ামীলীগ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. ইতিহাস
  8. খেলা
  9. চাকরি
  10. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  11. জাতীয়
  12. জামায়াতে ইসলামী
  13. ধর্ম
  14. বি এন পি
  15. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ খবর

বগুড়ায় শ্যামলী পরিবহনের হেলপারের ব্যাগে ২৬০০ পিস ইয়াবা, গ্রেপ্তার ১

MIR MD. RAKIB HASAN
MIR MD. RAKIB HASAN
অক্টোবর ২৯, ২০২৬ ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

১২

বগুড়ায় যাত্রীবাহী শ্যামলী পরিবহনের একটি কোচের হেলপারের স্কুলব্যাগ থেকে ২ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় মো. জিম বাবু (২২) নামে এক বাসহেলপারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়া জেলা কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. সামসুল আলমের নেতৃত্বে বগুড়া সদর উপজেলার নওদাপাড়ায় টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের সামনে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পশ্চিম পাশে একটি পাকা রাস্তায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় কক্সবাজার থেকে দিনাজপুরগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী কোচে তল্লাশি করা হয়। কোচটির নিবন্ধন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৮১৪২।

অভিযানকালে বাসের ইঞ্জিনের ওপর বসে থাকা হেলপার মো. জিম বাবুর স্কুলব্যাগ ও দেহ তল্লাশি করা হয়। পরে ব্যাগের ভেতরে পুরোনো কাপড়ের মধ্যে কালো আঠালো ফিতা দিয়ে মোড়ানো ১৩টি নীল রঙের জিপারযুক্ত প্যাকেট পাওয়া যায়। প্রতিটি প্যাকেটে ২০০টি করে মোট ২ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ছিল। উদ্ধার করা ট্যাবলেটগুলোর মোট ওজন ২৬০ গ্রাম বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

এ ছাড়া একটি সিমসহ আইটেল আইটি-৫৬২১ মডেলের বাটন মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার মো. জিম বাবু (২২) রংপুর সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ধর্মদাস মিলনপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মো. শামীম মিয়া এবং মায়ের নাম মোছা. ঝুমা বেগম।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. তাহিদুল আলম বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় মামলা করেছেন। প্রাপ্ত তথ্যে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারার সারণির ৯(গ) ও ২৬(১) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

মাদক সরবরাহের উৎস অনুসন্ধান

উদ্ধার করা মাদকের চালানের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেলে তাঁদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের শূন্য সহনশীলতার নীতি বাস্তবায়নে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।