ঢাকারবিবার , ২৪ মে ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জামায়াতে ইসলামী
  9. বঙ্গবন্ধু
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. বীর মুক্তিযোদ্ধা
  13. মতামত
  14. যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ
  15. রাজনীতি
আজকের সর্বশেষ খবর

চন্দ্রগঞ্জে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়, চড়া দামে হতাশ সাধারণ ক্রেতারা

Link Copied!

চন্দ্রগঞ্জে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়, চড়া দামে হতাশ সাধারণ ক্রেতারা

মোঃ ইসমাইল হোসেন : জেলা প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর।

লক্ষ্মীপুর জেলার নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা-র ঐতিহ্যবাহী ও দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র চন্দ্রগঞ্জ বাজার-এ বসেছে কোরবানির পশুর বিশাল হাট। হাটজুড়ে ছিল গরু, ষাঁড় ও ছাগলের সমারোহ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পশুতে বাজার ছিল পরিপূর্ণ। তবে পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও অতিরিক্ত দামের কারণে হতাশা প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা।

শনিবার সকাল থেকেই হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হাটে মানুষের ভিড় আরও বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত দামে পশু না পাওয়ায় অনেক ক্রেতাকেই খালি হাতে ফিরে যেতে দেখা গেছে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ চড়া দামের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন।

হাটে ঘুরে দেখা যায়, ছোট ও মাঝারি আকারের দেশীয় গরুর দাম শুরু হচ্ছে প্রায় ৬০ হাজার টাকা থেকে। আকার ও গুণগত মানভেদে এসব গরুর দাম উঠছে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে বড় ও সৌখিন গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত। ছাগলের দামও তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে।

হাটে আসা একাধিক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, বিক্রেতারা প্রতিটি পশুতেই অতিরিক্ত দাম চাচ্ছেন। ফলে পছন্দ অনুযায়ী পশু কিনতে পারছেন না তারা। অনেকে জানান, কয়েক ঘণ্টা ধরে দরদাম করেও সাধ্যের মধ্যে পশু পাওয়া যাচ্ছে না। দুপুর ২টার পর থেকে অনেক ক্রেতাকে পশু না কিনেই বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে। তবে অনেকে এখনো অপেক্ষায় রয়েছেন—সন্ধ্যার দিকে দাম কিছুটা কমলে পশু কিনবেন বলে আশা করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চন্দ্রগঞ্জ বাজার-এর এই হাটে লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারা অংশ নিয়েছেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে পশুর সরবরাহ মোটামুটি ভালো থাকলেও দাম তুলনামূলক বেশি বলে জানিয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

বিক্রেতাদের দাবি, পশুখাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি, পরিবহন খরচ এবং দীর্ঘদিন লালন-পালনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কম দামে পশু বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বাজারে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনাও দামের ওপর প্রভাব ফেলছে বলে তারা মনে করছেন।

হাটে বেচাকেনা তুলনামূলক কম হলেও ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই আশা রয়েছে, ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাজার আরও জমে উঠবে এবং দামে কিছুটা সমন্বয় আসতে পারে।

কতৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কপি করা দন্ডনীয়। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করলে কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।